বন্দরে কাপড়ভর্তি কনটেইনার গায়েব, ২ জেটি সরকার গ্রেপ্তার

আপডেট : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪০ পিএম

চট্টগ্রাম বন্দরের ভেতর থেকে প্রায় তিন কোটি টাকা মূল্যের কাপড়ের রোলভর্তি একটি কনটেইনার গায়েবের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় মো. মোর্শেদ আলম (৩১) ও মো. সাইদুর রহমান (৫১) নামে দুই জেটি সরকারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে বন্দর থানায় মামলাটি করেন চট্টগ্রাম বন্দরের পরিবহন পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম। 

গ্রেপ্তার দুজনই চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ এলাকার প্যারামাউন্ট ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল নামের একটি সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠানের জেটি সরকার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এরমধ্যে মোর্শেদ পটিয়া উপজেলার জিরি ইউনিয়নের উত্তর কৈয়গ্রাম এলাকার আলতাফ আলী মৌলভী বাড়ির মো. রফিকের ছেলে এবং সাইদুর পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার মাটিভাঙ্গা ইউনিয়নের পূর্ব বানিয়ারি গ্রামের মো. সুলতান আহম্মেদের ছেলে।

বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুর রহিম বলেন, কাপড়ভর্তি কনটেইনার গায়েবের ঘটনায় বন্দর কর্তৃপক্ষ মামলা করেছে। মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড চাওয়া হয়েছে। আদালতের অনুমতি পেলে রিমান্ডে নিয়ে ঘটনার বিস্তারিত জানার চেষ্টা করা হবে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সাভারের কালিয়াকৈর এলাকার রপ্তানিমুখী পোশাকশিল্প প্রতিষ্ঠান গোল্ড স্টার গার্মেন্টস লিমিটেড ৬৬৮ বেল ফেব্রিক্স বা কাপড়ের রোল আমদানি করে। এসব কাপড় ৪০ ফুটের একটি কনটেইনারে ছিল। কনটেইনারটির নম্বর এমআরএসইউ-৮৬৯২৮২৭। গত ৩০ আগস্ট এসআরআস এসওয়াইএনডি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট লিমিটেড কনটেইনারটি খালাসের অনুমতি নিতে গেলে সেটি চট্টগ্রাম বন্দরের সিসিটি ইয়ার্ডে পাওয়া যায়নি। পরে ইয়ার্ড পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান সাইফ পাওয়ারটেকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা জানায়, কনটেইনারটি ১১ আগস্ট ডেলিভারির জন্য ব্যবস্থায় তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল।

এজাহারে আরও বলা হয়, কনটেইনারটি গাড়িতে তোলার আগে সিসিটি ও এনসিটি ইয়ার্ডের পরিবহন পরিদর্শক মো. এস্কান্দর ফারুকের যে স্বাক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে, সেটি জাল। পরে বন্দরের ব্যবস্থা পরীক্ষা করে দেখা যায়, উচ্চ বহিঃসহকারী নেয়ামল হক সরকারের কর্মপরিচয় নম্বর ১৪৫৩২ ব্যবহার করে ১১ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টার দিকে কনটেইনারটির বিষয়ে ব্যবস্থায় তথ্য প্রবেশ করানো হয়।

জেএম
আরও পড়ুন
সর্বশেষপঠিত