ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, বাংলাদেশের কোনো নাগরিক চাইলে যে কোনো সময় দেশ ছাড়তে পারেন এবং আবার দেশে ফিরতেও পারেন। তবে দেশে ফেরার পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিষয়ে সরকার কী পদক্ষেপ নেবে, সেটি সরকারের এখতিয়ার।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আব্দুল কাদির শাহ পাঠাগারের আয়োজনে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে রুমিন ফারহানা বলেন, দেশের কোনো নাগরিকের দেশ ছাড়ার বা দেশে ফেরার ক্ষেত্রে সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে। তবে দেশে ফেরার পর সরকারের পক্ষ থেকে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সেটি সরকারের বিষয়।
সম্প্রতি জাতীয় সংসদে বিএনপি সরকারের সমালোচনা করে রুমিন ফারহানার দেওয়া বক্তব্যের প্রতিবাদে আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা ঝাড়ু মিছিল করেন। একই সঙ্গে বক্তব্য প্রত্যাহার না করলে তাকে আশুগঞ্জে অবাঞ্ছিত ঘোষণারও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রুমিন ফারহানা বলেন, রাজনীতিতে ভিন্নমত থাকাটাই স্বাভাবিক। কাউকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা, মিছিল-মিটিং করা এসব রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের অংশ। তিনি বিষয়টিকে রাজনৈতিক মতপার্থক্য হিসেবেই দেখছেন বলে জানান।
এর আগে ১৬ সেপ্টেম্বর আশুগঞ্জ উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের সামনে রুমিন ফারহানার দুই সমর্থকের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। আহত দুজন হলেন আশুগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহ্বায়ক আতাউর রহমান এবং সাবেক জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক রাসেল বিপ্লব। বিএনপির পক্ষ থেকে অবশ্য হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে ঘটনাটিকে কথা কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করা হয়।
এ ঘটনার কয়েক দিনের মধ্যেই রুমিন ফারহানা আশুগঞ্জে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন। অনুষ্ঠানটি ঘিরে আগে থেকেই স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ও মতবিরোধ তৈরি হয়েছিল।
সাপের কামড়ে প্রাণ গেল ওঝার ছেলের
সড়ক পার হতে গিয়ে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় বৃদ্ধা নিহত