কক্সবাজারের সৈকতে ভেসে এলো ৩ মরদেহ

আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১২ পিএম

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার সমুদ্রসৈকত থেকে তিন ব্যক্তির অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) জালিয়াপালং ইউনিয়নের মাদারবুনিয়া ও মনখালী সৈকতের পৃথক স্থান থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।

তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। মরদেহ তিনটি গত ২১ সেপ্টেম্বর টেকনাফের বাহারছড়া উপকূলে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ ব্যক্তিদের কারও কি না, তা যাচাই করছে পুলিশ।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান মজুমদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ জানায়, বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জালিয়াপালং ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মাদারবুনিয়া নৌকার ঘাট এলাকায় একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সেটি উদ্ধার করে।

পরে বিকেল ৩টার দিকে একই ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মনখালী সমুদ্রসৈকতে আরও দুটি মরদেহ পড়ে থাকার খবর পাওয়া যায়। খবর পেয়ে ইনানী পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ দুটি উদ্ধার করেন। দুটি মরদেহের মধ্যে দূরত্ব ছিল প্রায় ৫০০ মিটার।

ওসি আতিকুর রহমান মজুমদার বলেন, উদ্ধার হওয়া তিন মরদেহের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। এগুলো টেকনাফের বাহারছড়া উপকূলে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ ব্যক্তিদের মরদেহ কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে।

তিনি জানান, ময়নাতদন্তসহ প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহগুলোর বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে গত ২১ সেপ্টেম্বর রাতে টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের কচ্ছপিয়া নৌকাঘাটসংলগ্ন সাগরে মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গাদের বহনকারী একটি ট্রলার ডুবে যায়। পুলিশ ও কোস্টগার্ডের তথ্য অনুযায়ী, সাগরপথে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় ট্রলারটি ডুবে যায়। এতে এক নারী ও এক শিশুর মৃত্যু হয়। পরে কোস্টগার্ড ও স্থানীয়রা কয়েকজনকে জীবিত উদ্ধার করেন। ওই ঘটনায় আরও একজন নারী নিখোঁজ ছিলেন বলে জানানো হয়েছিল।

উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের বরাতে টেকনাফ থানা পুলিশ জানিয়েছে, তারা প্রায় এক বছর আগে বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে মালয়েশিয়া যাওয়ার উদ্দেশ্যে দেশ ছেড়েছিলেন। পরে সাগরপথে আবার বাংলাদেশে ফেরার চেষ্টা করছিলেন।

উখিয়ার সৈকত থেকে উদ্ধার হওয়া তিন মরদেহ ওই ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ ব্যক্তিদের কি না, তা এখন তদন্ত করে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এমসিএইচ
আরও পড়ুন