সরকারি কাজে টেন্ডার জমা নিয়ে কথা কাটাকাটির জের ধরে খুলনার দিঘলিয়ায় সেনহাটি ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক খান মুরাদকে (৪৫) হত্যা করেছে প্রতিপক্ষরা।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ইফতারির আগমুহূর্তে উপজেলার সেনহাটি বক্সীবাড়ি কবরস্থানের সামনে তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
নিহত মুরাদ উপজেলার হাজীগ্রামের খান মুনসুর আলীর ছেলে। তিনি দিঘলিয়া উপজেলা যুবদলের সদস্য ও একজন ব্যবসায়ী।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, মুরাদ খান খুলনা থেকে তার হাজীগ্রামের নিজ বাড়িতে যাওয়ার পথে সেনহাটী মিয়া পাড়া মসজিদের কাছে পৌঁছালে কয়েকজন যুবক তার গতিরোধ করে। এ সময় মুরাদ দৌড়ে একটি দোকানে আশ্রয় নিলে অস্ত্রধারীরা সেখান থেকে ধরে নিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে।
একপর্যায়ে মুরাদ নিস্তেজ হয়ে পড়লে অস্ত্রধারীরা চলে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন মুরাদকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খুলনার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, যুবদল নেতা মুরাদকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা শুনেছি। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। কারণ উদঘাটন এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।

