সোমবার (১৫ জুন) সকালে উপজেলার কাপষন্ডা সংলগ্ন নদী এলাকায় মাছটি ধরা পড়ে। বিশাল এই কোরালটি দেখার জন্য স্থানীয় মৎস্য ঘাটে উৎসুক জনতার ভীড় জমে যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কাপষন্ডা গ্রামের পেশাদার মৎস্যজীবী মোঃ রবিউল ইসলাম গাজী প্রতিদিনের মতো সোমবার ভোরে খোলপেটুয়া নদীতে জাল পাতেন। সকালের দিকে জাল তোলার সময় তিনি প্রচণ্ড ভার অনুভব করেন। একপর্যায়ে স্থানীয় অন্য জেলেদের সহযোগিতায় জালটি টেনে নৌকায় তুলতেই চোখ কপালে ওঠে সবার। জালের ভেতর ছটফট করছে এক বিশাল কোরাল। পরে তীরে এনে ওজন করা হলে দেখা যায় মাছটির ওজন প্রায় ১৫ কেজি।
জেলে রবিউল ইসলাম গাজী উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, নদীতে প্রতিদিন মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করি। আজ ভোরে জাল তোলার সময় হঠাৎ ভারি ঠেকছিল। এত বড় মাছ একবারে জালে আসবে ভাবিনি। এর আগেও আমার জালে ৮ কেজি ও ১২ কেজি ওজনের দুটি কোরাল ধরা পড়েছিল, তবে আজকের ১৫ কেজির মাছটি আমার জীবনের অন্যতম বড় শিকার।
এদিকে খোলপেটুয়া নদীর ঘাটে বিশাল এই কোরাল মাছটি নিয়ে আসার পর মুহূর্তের মধ্যে খবরটি চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দা ও উৎসুক জনতা মাছটি একনজর দেখতে ঘাটে ভিড় জমান। অনেকেই মাছটির ছবি ও ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন, যা মুহূর্তেই এলাকায় বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করে।
স্থানীয় প্রবীণ মৎস্যজীবীরা জানান, খোলপেটুয়া নদীতে একসময় নিয়মিতই বড় বড় কোরাল বা ভেটকি মাছ পাওয়া যেত। তবে জলবায়ু পরিবর্তন, নদীর নাব্যতা সংকট এবং কারেন্ট জালের অবাধ ব্যবহারের কারণে এখন আগের মতো বড় মাছ আর সহজে দেখা যায় না। দীর্ঘদিন পর এমন বড় আকারের মাছ ধরা পড়ার ঘটনাটি স্থানীয় জেলেদের মনে নতুন করে আশার আলো সঞ্চার করছে। নদীর প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা করা গেলে খোলপেটুয়া নদী তার পুরনো ঐতিহ্য ফিরে পাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সাতক্ষীরায় তেত্রিশ লক্ষ টাকা মূল্যের ফেনসিডিল ও ভারতীয় ঔষধ জব্দ
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে সড়ক অবরোধ করে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আলোচিত ইভটিজার ইমন ইয়াবাসহ আটক