খাদ্য অধিদপ্তরের সহকারী উপ-খাদ্য পরিদর্শক পদের নিয়োগ পরীক্ষায় অসদুপায়ের অভিযোগে এক নারীসহ ৩ জনকে আটক করা হয়েছে।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকালে দিনাজপুর সদর উপজেলার পৃথক ৩টি কেন্দ্র থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন- পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার শিরিন আক্তার (২১), রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার ছোট রসুলপুর গ্রামের রেজাউল করিমের ছেলে মিফতাহুল জান্নাত জনি (২৫) ও কলেজিয়েট স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্র থেকে টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলার জামুরকী পূর্বপাড়া এলাকার ইসহাক মিয়ার ছেলে মাহিম মিয়া (২০)।
জানা যায়, নিয়োগ পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর সদর উপজেলার পরজপুর ফাসিলাডাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ওএমআর শিট পূরণ করার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের সহায়তায় পুলিশের সদস্যরা কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে এক নারীর দেহ তল্লাশি করে। এ সময় তার জামার ভিতরে সেলাই করা একটি ডিভাইস ও কানে আরেকটি ডিভাইস পান। এ সময় শিরিন আক্তার নামে ওই চাকুরীপ্রার্থীকে আটক করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, ডিভাইসের মাধ্যমে উত্তরপত্র সরবরাহ করার জন্য ১৫ লাখ টাকার চুক্তি হয়েছিল ওই চাকুরীপ্রার্থীর। এই ঘটনায় ডিভাইস চক্রটির অন্যান্য সদস্যদেরকে আটক করতে পুলিশ কার্যক্রম শুরু করেছে। এছাড়াও দিনাজপুর কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় মিফতাহুল জান্নাত জনি ও মাহিম মিয়া কে আটক করা হয়। মিফতাহুল জান্নাত একজন চাকুরীপ্রার্থীর হয়ে প্রক্সি পরীক্ষা দিতে এসেছিলেন। মিফতাহুল জান্নাত রংপুর কারমাইকেল কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী।
দিনাজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) আনোয়ার হোসেন জানান, যাদেরকে আটক করা হয়েছে তাদের কাছ থেকে বেশ কয়েকজনের নাম ও বিভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে। নিয়োগ পরীক্ষায় ডিভাইস ব্যবহার, প্রক্সিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কার্যক্রমে জড়িত থাকাদের আটক করতে ইতিমধ্যেই পুলিশ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গায় বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত
নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন ও ভিডিও ভাইরাল, থানায় অভিযোগ
