পালং শাক শীতের সবজি হিসেবে ভীষণ জনপ্রিয়। যদিও শীত যাই যাই করছে তারপরও বাজারে এখন পালং শাক পাওয়া যাচ্ছে। এই শাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টঅক্সিডেন্ট যা চোখের জন্য খুব উপকারী। এছাড়া এই শাকে রয়েছে ভিটামিন কে, সি, এ এবং আয়রণের মতো উপাদান। এই শাকে ফাইবারের পরিমাণ বেশি এবং ক্যালোরির পরিমাণ কম থাকায় স্বাস্থ্যের দিক থেকে খুবই সুষম। এই সবজিকে দৈনন্দিন খাদ্যাভাসে অন্তর্ভুক্ত করতে হলে জানতে হবে কিছু উপায়। মজাদার স্বাদে খাবারে কীভাবে পালং শাক ব্যবহার করবেন জেনে নিন তার উপায়।
★ সকালে নাস্তায় ডিমের অমলেট তো প্রায় সবাই পছন্দ করে খেয়ে থাকেন। ওই অমলটে দু চারটে পালং পাতা মিহি করে কুচিয়ে মিশিয়ে দিতে পারেন। অমলেটের ওপর গোলমরিচ গুঁড়ো আর চিজ ছড়িয়ে দিন। ব্যস তৈরি হয়ে গেলো হেলদি স্পিনাচ অমলেট।

★ সকালে ঘুম থেকে উঠে যারা আয়োজন করে নাস্তা বানানোর সময় পান না তারা চট করে বানিয়ে নিতে পারেন স্পিনাচ স্মুদি। তাজা পালং শাকের কয়েকটা পাতা ধুয়ে নিন। এর সঙ্গে দুধ অথবা টক দই, কয়েকটা খোসা ছাড়ানো কাঠবাদাম, একটু মধু দিয়ে মিক্সিতে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। তৈরি হয়ে গেলো পালং শাকের স্মুদি।
★ পালং শাকের সালাদ কিন্তু খুব জনপ্রিয়। কয়েকটা পালং পাতা একটু গরম পানিতে সামান্য লবণ দিয়ে ভাপিয়ে নিন। একটা বাটিতে সেদ্ধ করা পালং শাকের পাতা খাওয়ার মতো করে সাইজে কেটে নিন। তার মধ্যে শসা কুচি, ক্রিম চিজ, স্ট্রবেরি বা আপেলের টুকরো, আখরোট বা যে কোন বাদাম, লেবুর রস, সামান্য লবণ মিশিয়ে বানিয়ে নিন পালং শাকের সালাদ।

★ ব্রেকফাস্টে স্যান্ডউইচ খেতে ভালোবাসেন? সবজি বা চিকেন যা দিয়েই স্যান্ডউইচ খান না কেন তাতে অল্প কটা ভাপিয়ে নেওয়া পালং পাতা যোগ করে দিতে পারেন। এতে স্যান্ডউইচের অন্যরকম স্বাদও আসবে আর পুষ্টিগুণও বেড়ে যাবে।
★ যারা পাস্তা খেতে ভালোবাসেন তারা পালং শাক ব্যবহার করতে পারেন। এজন্য পালং শাকের পাতা ভাপিয়ে সেটা একটু লবণ, গোলমরিচ দিয়ে মিক্সিতে বেটে নিন। এবার পাস্তার সস বানানোর সময় তাতে এই পালং পেস্ট যোগ করে দিতে হবে। এর সঙ্গে অলিভ অয়েল আর চিজ ছড়িয়ে দিলেই তৈরি হয়ে যাবে মজদার গ্রিন পাস্তা।
