ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন কেন্দ্রে অনিয়ম ও এজেন্টদের বের করে দেওয়ার বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর দেওয়া অভিযোগ খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ইসি সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।
এর আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে জামায়াতে ইসলামীর একটি প্রতিনিধি দল তিনটি আসনের নির্দিষ্ট কিছু কেন্দ্রে ভোট স্থগিতের দাবি জানায়।
এ প্রসঙ্গে ইসি সচিব বলেন, ‘ভোট বন্ধ বা স্থগিত করার সুযোগ অবশ্যই আছে, তবে তার আগে অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করতে হবে। আমরা তথ্য যাচাই না করে কোনো মন্তব্য করতে চাই না। অভিযোগগুলো রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। তদন্তে অনিয়ম প্রমাণিত হলে তারা বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেবেন।’
জামায়াতের প্রতিনিধি দলের সদস্য অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল সিইসিকে জানান, কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনের অন্তত ৩০টি কেন্দ্র থেকে শুরুতেই তাদের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া টাঙ্গাইল-২, নরসিংদী-৪ এবং নোয়াখালী-৬ আসনে এজেন্টদের বাধা প্রদান, ব্যালটে জোরপূর্বক সিল মারা এবং প্রার্থীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে কুমিল্লা-৮, শরীয়তপুর-২ এবং পটুয়াখালী-১ আসনের বিতর্কিত কেন্দ্রগুলোতে ভোট স্থগিতের জোরালো দাবি জানায় দলটি।
ইসি সচিব আরও যোগ করেন, বিচ্ছিন্ন কিছু অভিযোগ থাকলেও এখন পর্যন্ত সার্বিক নির্বাচন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে কমিশন কঠোর অবস্থান নেবে।
সিইসির সঙ্গে বৈঠকে ১১ দলীয় জোট
