বিশ্বকাপের মঞ্চে এবার টানা অষ্টমবারের মতো খেলতে যাচ্ছে জাপান। ১৯৯৮ সালে প্রথমবার বিশ্বকাপে জায়গা করে নেওয়ার পর থেকে আর কখনো আসরটির বাইরে থাকেনি এশিয়ার অন্যতম শক্তিশালী দলটি। তবে এবার খেলা মাঠে গড়ানোর আগেই অধিনায়ক বদলে দলের 'টিম গেম' নিয়ে শঙ্কায় ‘সামুরাই ব্লু’রা।
তবে নিয়মিত বিশ্বকাপ খেললেও এখন পর্যন্ত শেষ ষোলোর বাধা পেরোতে পারেনি ‘সামুরাই ব্লু’রা। তবুও ২০২৬ বিশ্বকাপের আগে তাদের ঘিরে আশাবাদী হওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ের ১৮ নম্বরে থাকা জাপান বাছাইপর্বে মাত্র একটি ম্যাচ হেরেছে। শুধু তাই নয়, গত এক বছরে প্রীতি ম্যাচে ইংল্যান্ড ও ব্রাজিলের মতো শক্তিশালী দলকেও হারিয়েছে তারা।
দলের এই ধারাবাহিক উন্নতির পেছনে বড় অবদান কোচ হাজিমে মোরিয়াসুর। ২০১৮ সালের জুলাই থেকে দায়িত্ব পালন করা এই কোচই জাপানের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় দায়িত্বে থাকা কোচ। চলতি বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে দায়িত্ব পালন করা কোচদের তালিকায়ও তিনি আছেন তৃতীয় স্থানে। তার সামনে রয়েছেন দিদিয়ের দেশম এবং লিওনেল স্কালোনি।
তবে বিশ্বকাপ শুরুর আগে বড় ধাক্কাও খেয়েছে জাপান। চোটের কারণে দল থেকে ছিটকে গেছেন অধিনায়ক ওয়াতারু এন্দো। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানান তিনি। এন্দোর অনুপস্থিতিতে নেতৃত্বের দায়িত্ব পেয়েছেন কো ইতাকুরা। নতুন অধিনায়কের মতে, বিশ্বকাপের মতো স্বল্পমেয়াদি টুর্নামেন্টে সফলতার সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি হলো দলগত ঐক্য।
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচের আগে ইতাকুরা বলেন, 'অনেক কিছু ঘটেছে। তবে উদ্বোধনী ম্যাচের আগে পুরো দলকে একই লক্ষ্য ও চিন্তায় নিয়ে আসাই ছিল আমার প্রধান দায়িত্ব।' তার মতে, 'এ ধরনের ছোট টুর্নামেন্টে ঐক্যবদ্ধ থাকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।'
অধিনায়ক বদল, চোটের ধাক্কা এবং বাড়তি প্রত্যাশা, সবকিছুর মাঝেও জাপান বিশ্বাস করছে, দল হিসেবে একসঙ্গে থাকলে ইতিহাস গড়ার সুযোগ এবারও তাদের সামনে রয়েছে। সূত্র: বিবিসি
মেসির ষষ্ঠ বিশ্বকাপে একাধিক মাইলফলকের হাতছানি
প্রশ্নের মুখে ব্রাজিলের দলগত পারফরম্যান্স
বিশ্বকাপ মিশনে জার্মানি-কিউরাসাও লড়াই আজ