নিউজিল্যান্ডের নাগরিকত্ব পাওয়ার প্রক্রিয়াকে আরও কঠোর ও মানসম্মত করতে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটির সরকার। এখন থেকে নিউজিল্যান্ডের স্থায়ী নাগরিকত্ব পেতে আগ্রহী অভিবাসীদের জন্য বিশেষ 'নাগরিকত্ব পরীক্ষা' দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। ২০২৭ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে এই নতুন নিয়ম কার্যকর হবে।
নিউজিল্যান্ডের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুক ভ্যান ভেলদেন এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, নাগরিকত্ব প্রত্যাশীদের সশরীরে পরীক্ষাকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে ইংরেজি ভাষায় ২০টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। এই প্রশ্নগুলো মূলত নিউজিল্যান্ডের মানবাধিকার আইন, গণতান্ত্রিক নীতি, সরকারের কাঠামো, ভোটাধিকার এবং ফৌজদারি অপরাধ সংক্রান্ত আইনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হবে। নাগরিকত্ব পাওয়ার যোগ্যতা অর্জনের জন্য একজন প্রার্থীকে কমপক্ষে ১৫টি প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে হবে।
দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, যারা আমাদের দেশের নাগরিক হতে চান, তাদের নিউজিল্যান্ডের মৌলিক মূল্যবোধগুলো সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা জরুরি। বিশেষ করে 'বাকস্বাধীনতা' এবং 'আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়' এই জাতীয় মানবাধিকারগুলোতে নিউজিল্যান্ডাররা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, নাগরিকত্ব লাভের আগেই প্রার্থীরা যেন তাদের অধিকার, দায়িত্ব এবং সুযোগগুলো সম্পর্কে সম্যক ধারণা পেতে পারেন, তা নিশ্চিত করতেই এই পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৭ সালের জুন মাসের পর থেকে প্রথমবারের মতো এই নাগরিকত্ব পরীক্ষা শুরু হবে। এর মাধ্যমে অভিবাসীদের নিউজিল্যান্ডের সমাজ ও শাসনব্যবস্থার সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে একীভূত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে দেশটির সরকার। সূত্র: রয়টার্স
বর্তমান পরিস্থিতিতে যুদ্ধ বন্ধের বিপক্ষে অধিকাংশ ইসরায়েলি