ফিলিস্তিনিদের ভূখণ্ড থেকে জোরপূর্বক উচ্ছেদের স্মরণে হাজার হাজার মানুষের ‘নাকবা দিবস’ এর বিক্ষোভ, অন্যদিকে কট্টর ডানপন্থী নেতা টমি রবিনসনের (Tommy Robinson) নেতৃত্বে পাল্টা সমাবেশ। এই দুই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কায় পুরো লন্ডন জুড়ে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের সংবাদ সংস্থা ‘প্রেস অ্যাসোসিয়েশন’ (PA) জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে লন্ডনে প্রায় ৪,০০০ পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে থেকে আরও ৬৬০ জন পুলিশ সদস্যকে জরুরি ভিত্তিতে রাজধানীতে আনা হয়েছে।
এবারই প্রথম বিক্ষোভ প্রদর্শনের ক্ষেত্রে বিশেষ সরকারি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, সমাবেশে অংশ নেওয়া কোনো বক্তা বা আয়োজক যদি উগ্রবাদ বা বর্ণবিদ্বেষমূলক (Hate speech) বক্তব্য দিয়ে আইন ভঙ্গ করেন, তবে তাদের সরাসরি বিচারের মুখোমুখি করা হবে। এমনকি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সমাবেশের বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড, ব্যানার এবং স্লোগানগুলো সমাজে ঘৃণা ছড়াচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে প্রসিকিউটরদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
লন্ডন পুলিশ জানিয়েছে, কোনো রাজনৈতিক বিক্ষোভে এবারই প্রথম ‘লাইভ ফেসিয়াল রিকগনিশন’ (Live facial recognition) বা মানুষের মুখাবয়ব চেনার আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে সমাবেশের আড়ালে থাকা কোনো চিহ্নিত অপরাধী বা উস্কানিদাতাকে তাৎক্ষণিকভাবে ক্যামেরার সাহায্যে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে।
বিপরীত মেরুর এই বিশাল দুটি জমায়েত যেন কোনোভাবেই মুখোমুখি না হতে পারে, সেজন্য পুরো লন্ডন শহরের স্পর্শকাতর রুটগুলোতে ব্যারিকেড তৈরি করেছে পুলিশ। সূত্র: আলজাজিরা
আবারো উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ওয়াশিংটন-হাভানা সম্পর্ক