মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন রাজনৈতিক চাপ ও সমালোচনা শক্ত হাতে প্রত্যাখ্যান করেছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম।
তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, যেকোনো হুমকি স্বত্বেও ফিলিস্তিন ইস্যুতে দেশের স্বাধীন ও নীতিগত অবস্থান থেকে কুয়ালালামপুর কখনো পিছু হটবে না।
ইসরায়েলি নাগরিকদের মালয়েশিয়ায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত নীতিতে কোনো পরিবর্তন আনা হবে না বলে তিনি জোর দিয়ে জানান।
তিনি বলেন, বিদেশি কোনো চাপ মালয়েশিয়া সরকারের এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারবে না।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, এই অবস্থান ফিলিস্তিনিদের অধিকার রক্ষা এবং গাজায় চলমান অমানবিক হামলা ও দখলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হিসেবে নেওয়া হয়েছে। এটি কোনো নতুন সিদ্ধান্ত নয়, বরং কয়েক দশক ধরে কার্যকর থাকা একটি নীতি।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের আটজন সদস্য মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে পাঠানো এক চিঠিতে মালয়েশিয়ার ফিলিস্তিনপন্থী নীতির তীব্র সমালোচনা করেন।
তারা ওয়াশিংটনকে কুয়ালালামপুরের সঙ্গে নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান।
উত্থাপিত মার্কিন উদ্বেগের জবাবে আনোয়ার ইব্রাহিম প্রশ্ন তোলেন, গাজায় শিশু ও নারী হত্যা এবং ঘরবাড়ি ধ্বংসের মতো ইস্যুতে মার্কিন আইনপ্রণেতারা কীভাবে নীরব ভূমিকা পালন করছেন?
তিনি মালয়েশিয়াকে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে উল্লেখ করেন।
হামাসের নেতাদের সাথে সম্পর্কের বিষয়ে তিনি জানান, এই বিষয়টি কখনোই গোপনে করা হয়নি। কেবল গাজায় হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি মানবিক সমবেদনা জানাতেই সেই সাক্ষাৎগুলো অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
আনোয়ার ইব্রাহিম মার্কিন আইনপ্রণেতাদের অভিযোগকে ভিত্তিহীন আখ্যা দিয়ে দৃঢ়তার সাথে ঘোষণা করেন, ফিলিস্তিনের পক্ষে মালয়েশিয়ার এই নীতিগত লড়াই ভবিষ্যতেও একইভাবে অব্যাহত থাকবে।
সংবাদ উৎস (Source): পার্সটুডে (Pars Today) / মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (PMO Malaysia)।
তরুণদের আন্দোলনে পাশে বলিউড : সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ, রাজপথে সমর্থন
দিল্লিতে সিজেপির আন্দোলন সংবিধান ও গণতন্ত্র রক্ষার লড়াই : মেহবুবা মুফতি
শিক্ষামন্ত্রীকে না সরালে মোদির পদত্যাগের দাবি উঠবে : হুমকি সিজেপি প্রধানের
সাহাবুদ্দিনের বিদায় ঘণ্টা! কে হতে যাচ্ছেন বঙ্গভবনের নতুন মুখ
সুরমা-কুশিয়ারায় পানি বিপদসীমা ছাড়িয়েছে, সিলেটে বন্যার আশঙ্কা