পাকিস্তানের বিমানঘাঁটিগুলোতে অস্বাভাবিকভাবে তুর্কি সামরিক বিমানের আনাগোনা বৃদ্ধি পাওয়ায় সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে ভাবতে শুরু করেছে ভারত।
ফ্লাইট ট্র্যাকিং তথ্যানুযায়ী, গত ১৯ থেকে ২১ আগস্টের মধ্যে তুর্কির সি-১৩০ ও এ৪০০এম মডেলের একাধিক সামরিক যান পাকিস্তানে ঘন ঘন আসা-যাওয়া করে।
ভারত এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া না জানালেও নয়াদিল্লির সামরিক বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ইসলামাবাদকে ড্রোন ও আধুনিক অস্ত্র সরবরাহ করতেই এই তত্পরতা।
গত ৭ আগস্ট পাকিস্তান, তুর্কিয়ে ও সৌদি আরবের মধ্যে একটি ঐতিহাসিক ত্রিপক্ষীয় যৌথ সামরিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
চুক্তি অনুযায়ী, এই তিন দেশের যেকোনো একটি আক্রান্ত হলে যৌথভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলার অঙ্গীকার করা হয়েছে।
ন্যাটো সদস্য তুর্কির এই আকস্মিক সামরিক যাতায়াত এ অঞ্চলের ভৌগোলিক রাজনীতি ও ভারতের প্রতিরক্ষায় নতুন চাপ সৃষ্টি করছে।
এর আগে গত বছরের মে মাসে ‘অপারেশন সিঁদুর’ চলাকালে তুর্কিয়ে ও চীন পাকিস্তানকে অত্যাধুনিক ড্রোন ও আকাশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম দিয়েছিল।
তবে ভারতীয় বিমান বাহিনী এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র ও নিজস্ব প্রযুক্তি ব্যবহার করে সেই হামলা সফলভাবে নস্যাৎ করে দেয়।
উক্ত যুদ্ধে ৩১৪ কিলোমিটার দূরে থাকা পাকিস্তানের একটি নজরদারি বিমান ভূপাতিত করে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছিল ভারতের প্রতিরক্ষা বাহিনী।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।
‘আয়নাঘর’ ও গুমের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জামায়াত আমিরের
'যুদ্ধের প্রকৃত ব্যয় নিয়ে মিথ্যা তথ্য দিচ্ছেন বেসেন্ট'