আনাক ক্রাকাতোয়া আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ও ছাইয়ের কারণে সাময়িকভাবে বন্ধ থাকা পাঁচটি বিমানবন্দর আবার চালু করেছে ইন্দোনেশিয়া। এর মধ্যে রয়েছে রাজধানী জাকার্তার প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সোয়েকার্নো-হাত্তা। আগ্নেয়গিরির ছাইয়ের মেঘ সরে যাওয়ায় মঙ্গলবার এসব বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়।
ইন্দোনেশিয়ার পরিবহনমন্ত্রী দুদি পুরওয়াগান্ধি এক বিবৃতিতে বিমানবন্দরগুলো পুনরায় চালুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জাভা ও সুমাত্রা দ্বীপের মধ্যবর্তী এলাকায় অবস্থিত আনাক ক্রাকাতোয়া থেকে গত শুক্রবারের পর থেকে কয়েক দফায় বিপুল পরিমাণ ছাই ও ধোঁয়া ছড়ায়। এতে জাকার্তাসহ আশপাশের এলাকায় বিমান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। নিরাপত্তার কারণে কর্তৃপক্ষ আটটি বিমানবন্দর সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়। এতে তিন লাখ ৪১ হাজারের বেশি যাত্রী ক্ষতিগ্রস্ত হন।
বাতাসের গতিপথ পরিবর্তন হয়ে ছাইয়ের মেঘ সরে যাওয়ার পর মঙ্গলবার জাকার্তার সোয়েকার্নো-হাত্তা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ পাঁচটি বিমানবন্দর খুলে দেওয়া হয়। এর মধ্যে জাকার্তার আরেকটি বিমানবন্দর ও বান্দুং শহরের বিমানবন্দরও রয়েছে।
তবে দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকার পর সোয়েকার্নো-হাত্তা বিমানবন্দরে আটকে থাকা ১৭৮টি উড়োজাহাজের উড্ডয়ন উপযোগিতা পরীক্ষা করছেন প্রকৌশলীরা। দেশটির প্রধান অবকাঠামোমন্ত্রী অগাস হরিমুর্তি যুদ্ধোয়োনো জানান, প্রায় তিন হাজার ফ্লাইট বাতিল বা সময়সূচি পরিবর্তনের কারণে বিপুলসংখ্যক যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েছেন।
এদিকে আগ্নেয়গিরি পর্যবেক্ষণ সংস্থা জানিয়েছে, মঙ্গলবার সকালেও আনাক ক্রাকাতোয়া থেকে তিনবার অগ্ন্যুৎপাত হয়েছে। আগ্নেয়গিরিটির সতর্কতা মাত্রা চার স্তরের মধ্যে তৃতীয় স্তর বা ‘লেভেল ৩’-এ রয়েছে।
‘প্যাসিফিক রিং অব ফায়ার’-এ অবস্থানের কারণে ইন্দোনেশিয়ায় প্রায় ১৩০টি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি রয়েছে। ১৮৮৩ সালে ক্রাকাতোয়ার ভয়াবহ অগ্ন্যুৎপাতে সৃষ্ট সুনামিতে ৩৬ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছিলেন। পরবর্তীতে ওই আগ্নেয়গিরির ধ্বংসাবশেষ থেকেই আনাক ক্রাকাতোয়ার সৃষ্টি হয়।
সূত্র: রয়টার্স
গাজায় ধ্বংসস্তূপ সরানোর নামে গণহত্যা আড়ালের চেষ্টায় ইসরায়েল!
ঢাবি শিক্ষকদের মূল্যায়নে ডাকসুর অনলাইন প্ল্যাটফর্ম চালু