ইরানের বিরুদ্ধে মানব পাচার-শিশু যোদ্ধা নিয়োগের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের

আপডেট : ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৭ এএম

মানবপাচার প্রতিরোধে ব্যর্থতার অভিযোগে ইরানকে সর্বনিম্ন স্তর ‘টিয়ার-৩’-এ রেখেছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) প্রকাশিত ২০২৬ সালের ট্রাফিকিং ইন পারসনস রিপোর্টে বলা হয়েছে, মানবপাচার নির্মূলে প্রয়োজনীয় ন্যূনতম মানদণ্ড পূরণ করতে পারেনি তেহরান। এ সমস্যা মোকাবিলায় উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ নেওয়ার প্রমাণও পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে ইরানি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মানবপাচারসংক্রান্ত অপরাধে জড়িত থাকা এবং অপরাধীদের দায়মুক্তি দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। পাশাপাশি শিশুদের জোরপূর্বক সশস্ত্র গোষ্ঠীতে নিয়োগের ক্ষেত্রে সরকারের নীতি বা ধারাবাহিক ভূমিকা রয়েছে বলেও দাবি করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।

মার্কিন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এবং আধাসামরিক বাহিনী বাসিজের সদস্যরা ইরানি শিশুদের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা আফগান, পাকিস্তানি ও সিরীয় অভিবাসীদেরও নিয়োগ করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৬ সালের মার্চে আইআরজিসির একটি নিয়োগ অভিযান ঘোষণা করা হয়। এতে নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট কিছু দায়িত্বসহ নির্দিষ্ট ভূমিকার জন্য ন্যূনতম বয়স ১২ বছর নির্ধারণ করা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে।

ইরানের বিরুদ্ধে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি গোষ্ঠীকে বস্তুগত সহায়তা দেওয়ার অভিযোগও তুলেছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, হুতিরা একটি রাষ্ট্রবহির্ভূত সশস্ত্র গোষ্ঠী, যারা শিশুদের নিয়োগ করে এবং শিশু যোদ্ধা হিসেবে ব্যবহার করে। ইরানের সহায়তা এই পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পর্কিত বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রতিবেদনের বক্তব্য হিসেবে বিবেচনা করা প্রয়োজন। এখানে উল্লিখিত প্রতিটি অভিযোগের স্বাধীন যাচাই বা ইরান সরকারের প্রতিক্রিয়া এই সংবাদসূত্রে উল্লেখ করা হয়নি।

সূত্র: যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের ২০২৬ সালের ট্রাফিকিং ইন পারসনস রিপোর্ট

এমইউ
আরও পড়ুন
সর্বশেষপঠিত