ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন নৌ-অবরোধ এবং চলমান যুদ্ধের প্রভাবে তেহরানের সাধারণ মানুষের জনজীবন চরম সংকটের মুখে পড়েছে। আমদানি ব্যাহত হওয়া এবং গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলে হামলার কারণে দেশটির বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম হু হু করে বাড়ছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের পকেটে।
যুদ্ধের প্রভাবে ইরানের অন্যতম প্রধান ইস্পাত কোম্পানি হামলার শিকার হওয়ায় দেশটির শিল্প খাতে বড় ধরনের ধস নেমেছে। এর ফলে গৃহস্থালি সরঞ্জাম (অ্যাপ্লায়েন্স), অটোমোবাইল শিল্পসহ বিভিন্ন উৎপাদনমুখী খাতের সরবরাহ চেইন ভেঙে পড়েছে। এই শিল্প বিপর্যয়ের কারণে বাজারে পণ্যসংকট দেখা দিয়েছে এবং খুব দ্রুত পণ্যের দাম বেড়ে চলেছে।
ভয়াবহ ধ্বংসলীলার পাশাপাশি যুদ্ধের একটি গভীর মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে তেহরানবাসীর মধ্যে। বারবার সংঘাতময় পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি এবং অনিশ্চয়তার কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে হতাশা বাড়ছে। বাজারের অস্থিরতা এবং জীবিকার সংকট এই মানসিক চাপকে আরও ঘনীভূত করছে।
এতসব প্রতিকূলতার মধ্যেও তেহরানের বাসিন্দাদের মধ্যে দৃঢ় সহনশীলতা ও প্রতিরোধের মানসিকতা দেখা যাচ্ছে। যুদ্ধের শুরু থেকেই শহরের বিভিন্ন স্থানে সাধারণ মানুষকে জড়ো হয়ে সংহতি ও সমর্থন প্রকাশ করতে দেখা গেছে। মানুষের মধ্যে একদিকে যেমন ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা কাজ করছে, অন্যদিকে তেমনি রয়েছে টিকে থাকার প্রবল মানসিকতা।
একদিকে মার্কিন নৌ-অবরোধের চাপ এবং অন্যদিকে যুদ্ধের প্রত্যক্ষ ধ্বংসযজ্ঞ এই দুই মিলে ইরানের অর্থনীতি ও জনজীবন এখন এক কঠিন অগ্নিপরীক্ষার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
পশ্চিম তীরের নাবলুসে ইসরায়েলি অভিযানে গ্রেপ্তার ৭