বিপুল অংকের সামরিক ব্যয় এবং ইসরায়েলের সাথে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বাড়ানোর প্রস্তাব রেখে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) পাস হয়েছে ১.১৫ ট্রিলিয়ন ডলারের সামরিক ব্যয় বিল। বিরোধী ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতাদের তীব্র বিরোধিতা ও ক্ষোভ সত্ত্বেও বুধবার (২২ জুলাই) বিলটি অনুমোদন পায়।
মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে ২১৬–২১২ ভোটের ব্যবধানে ‘২০২৭ ন্যাশনাল ডিফেন্স অথরাইজেশন অ্যাক্ট’ (NDAA) নামের বিলটি পাস হয়। এতে মূলত দলীয় ভিত্তিতেই ভোট পড়ে; তবে ছয়জন ডেমোক্র্যাট বিলটির পক্ষে এবং সাতজন রিপাবলিকান এর বিপক্ষে ভোট দেন।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাওয়া অনুযায়ী সামরিক বাজেট বিগত বছরের ৯০০ বিলিয়ন ডলার থেকে বাড়িয়ে ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলারে নিয়ে যাওয়ার অংশ হিসেবেই ১.১৫ ট্রিলিয়ন ডলারের এই বিশাল প্যাকেজ পাস করা হয়েছে। গত ফেব্রুয়ারির শেষদিকে শুরু হওয়া ইরান যুদ্ধের ব্যয়ভার বহনে বাজেট বৃদ্ধি জরুরি বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প।
পাস হওয়া বিলটিতে ইসরায়েলের সাথে সামরিক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বহুগুণ বাড়ানোর ধারা যুক্ত থাকায় তা ব্যাপক পর্যালোচনার মুখে পড়েছে। প্রতিনিধি পরিষদের রিপাবলিকান সদস্য থমাস মাসি সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে লেখেন, বিলটির ২১৯ নম্বর ধারা আমাদের সার্বভৌমত্বের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।
হাউসে পাস হলেও সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের তীব্র বিরোধিতার কারণে বিলটি বড় ধরণের বাধার মুখে পড়তে যাচ্ছে। ডেমোক্র্যাট মাইনরিটি লিডার চাক শুমার এই বাজেটকে ইরান যুদ্ধের 'অনুমতিপত্র' হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। সামাজিক সুরক্ষা বাজেট কাটছাঁটের সময়ে এই বিশাল সামরিক খরচের বিরোধিতা করছেন আইনপ্রণেতারা। এছাড়া বিলে ইউক্রেন সহায়তা এবং বিতর্কিত 'সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট'-এর মতো রাজনৈতিক ধারা যুক্ত থাকায় বাজেটটির ভাগ্য এখনও অনিশ্চিত।
দিল্লির জন্তর মন্তরে ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন, ইন্টারনেট বন্ধ
লোহিত সাগরে সৌদি ২ ট্যাঙ্কারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, আগুন