রংপুরের চাঞ্চল্যকর ফোর মার্ডার

যেসব বস্তুতে মিললো সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ’র ডিএনএ

আপডেট : ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৮ এএম

রংপুরের চাঞ্চল্যকর চার শিক্ষক পরিবার হত্যা মামলায় বৈজ্ঞানিক ও ডিএনএ পরীক্ষার বড় অগ্রগতি হয়েছে।

ঘটনাস্থল থেকে সংগৃহীত বিভিন্ন আলামতে গ্রেফতারকৃত সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডিএনএ নমুনার শতভাগ মিল পাওয়া গেছে।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ—সিআইডির রংপুর অফিসের বিশেষ পুলিশ সুপার সুমিত চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ঘটনাস্থল থেকে জব্দকৃত ৩৫টি আলামতের মধ্যে কামড়ানো খেজুর, খেজুরের বিচি, শসা ও সিগারেটের ফরেনসিক পরীক্ষা করা হয়।

পরীক্ষায় কেবল দুজন পুরুষের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া গেছে, যা অভিযুক্ত সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ দাসের ডিএনএ-এর সাথে মিলে যায়।

গত ২০ সেপ্টেম্বর দুই আসামিকে ঢাকায় সিআইডি প্রধান কার্যালয়ে নিয়ে ডিএনএ স্যাম্পল সংগ্রহ করা হয়।

এর আগে ২১ আগস্ট রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকায় শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলে নিজ বাড়িতে নির্মমভাবে খুন হন।

এই ঘটনায় পুলিশ সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেফতার করলে তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

যদিও ঘটনার নয় দিন পর ডোপ টেস্ট করায় তাদের শরীরে মাদকের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।

তবে মামলার অন্য তিন সাক্ষী সীমান্ত, বিদ্যুৎ ও শান্ত আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।

রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মাহবুবুর রশিদ জানান, বৈজ্ঞানিক প্রমাণ পাওয়ার পর মামলার তদন্ত কাজ প্রায় শেষের পথে।

খুব দ্রুতই এই চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হবে।

এইচএন
আরও পড়ুন