আর্জেন্টিনা ২ : ১ ইংল্যান্ড (ফুলটাইম)
আরেকটি অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখল আর্জেন্টিনা। ইংল্যান্ডের হৃদয় ভেঙে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠল বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।
অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে দ্বিতীয়ার্ধের শেষভাগ পর্যন্ত পিছিয়ে ছিল আর্জেন্টিনা। সময় যেন ফুরিয়েই আসছিল। কিন্তু ঠিক সেই মুহূর্তেই ঘুরে দাঁড়ায় বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
প্রথমে প্রায় ২০ গজ দূর থেকে দুর্দান্ত শটে জর্ডান পিকফোর্ডকে পরাস্ত করে সমতাসূচক গোল করেন এনজো ফার্নান্দেজ। এরপর যোগ করা সময়ে জয়সূচক গোল করে আর্জেন্টিনাকে আরেকটি স্মরণীয় জয় এনে দেন লাউতারো মার্তিনেজ। দুটি গোলেই সহায়তা করেছেন মেসি।
রোববারের ফাইনালে স্পেনের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপের শিরোপা ধরে রাখতে পারলে তারা হবে ইতিহাসের মাত্র তৃতীয় দল, যারা টানা দুটি বিশ্বকাপ জেতার কীর্তি গড়বে।
আর্জেন্টিনাকে সমতায় ফেরালেন এনজো ফার্নান্দেজ
শর্ট কর্নার থেকে বল নিয়ে বক্সের কাছে আসছিলেন মেসি। বক্সের বাইরে থাকা এনজো ফার্নান্দেজকে বলটা বাড়ান তিনি। পুরো ইংলিশ রক্ষণ মনে করেছিল মেসিই ফিরতি বলটা পাবেন, কিন্তু তা হলো না।
এনজো ফার্নান্দেজ ঠাণ্ডা মাথায় বলটা জড়ালেন ইংলিশদের জালে। ম্যাচের ৮৬ মিনিটে ১-১ গোলে সমতা ফেরাল আর্জেন্টিনা।
আর্জেন্টিনার বিপক্ষে গর্ডনের গোলে এগিয়ে ইংল্যান্ড
ইংল্যান্ডের লিড
ইংল্যান্ড ১ : ০ আর্জেন্টিনা
দ্বিতীয়ার্ধের ৫৫ মিনিটে দারুণ এক গোলে লিড নিল ইংল্যান্ড। ডান প্রান্তে মরগান রজার্সের ক্রসে দারুণ এক গোলে ইংলিশদের এগিয়ে দিয়েছেন অ্যান্থনি গর্ডন। এবার আর্জেন্টিনার জবাব দেয়ার পালা।
মারামারি আর ফাউলে গোলশূন্য বিরতিতে আর্জেন্টিনা–ইংল্যান্ড
আর্জেন্টিনা ০ : ০ ইংল্যান্ড (হাফটাইম)
প্রথমার্ধে সব মিলিয়ে ফাউল হয়েছে ১৯টি। ১২টি করেছে আর্জেন্টিনা এবং ৭টি ইংল্যান্ড।
খেলার চেয়ে মারামারি বেশি
আর্জেন্টিনা–ইংল্যান্ড সেমিফাইনালের প্রথম ৩৮ মিনিটে খেলার চেয়ে মারামারিই বেশি হচ্ছে। এখন পর্যন্ত দুই দল মিলিয়ে ১৬টি ফাউল করেছে।
আর্জেন্টিনা–ইংল্যান্ড সতর্ক, শুরুতেই উত্তেজনা
ম্যাচের প্রথম ১০ মিনিটে বলার মতো তেমন কোনো আক্রমণ তৈরি করতে পারেনি কোনো দল।
শুরুতেই উত্তেজনা
ইংল্যান্ডের এলিয়ট অ্যাান্ডারসনকে ফাউল করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরুতেই দুই দলের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। যদিও রেফারির হস্তক্ষেপে ঘটনা বেশিদূর এগোয়নি।
আর্জেন্টিনা–ইংল্যান্ড সেমিফাইনাল শুরু
আর্জেন্টিনা ম্যাচের আগে ইংল্যান্ডের একাদশে বড় পরিবর্তন
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আজ মুখোমুখি আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। এই ম্যাচের আগে আর্জেন্টিনা তাদের একাদশে এনেছে বড় এক চমক। পিছিয়ে নেই ইংলিশরাও। কোচ থমাস টুখেল রীতিমতো চমকে দিয়েছেন একাদশে ৩ পরিবর্তন এনে।
থমাস টুখেল কোনো ঝুঁকি এড়িয়ে যাচ্ছেন না। নরওয়ের বিপক্ষে যে একাদশ খেলেছিল, সেখানে তিনি তিনটি পরিবর্তন করেছেন।
এর মধ্যে ফুলব্যাক পজিশনেই আছে ২ পরিবর্তন। আর্জেন্টিনাকে মূলত উইং আক্রমণ দিয়েই খাবি খাইয়ে দিতে চায় ইংল্যান্ড, সে বার্তাটা স্পষ্ট। রিস জেমস, জেড স্পেন্স এসেছেন এজরি কনসা, নিকো ও’রাইলির জায়গায়, দুজনই আক্রমণাত্মক ফুলব্যাক হিসেবে পরিচিত।
এদিকে আরেক পরিবর্তন হচ্ছে মিডফিল্ডে। মরগান রজার্স এসেছেন একাদশে, তার জায়গায় উইঙ্গার ননি মাদুয়েকেকে বেঞ্চে বসতে হচ্ছে। এই জায়গায় তার অন্তর্ভুক্তি জানান দিচ্ছে, মাঝমাঠে, বিশেষ করে প্রতিপক্ষের জোন ১৪ অঞ্চলের দখলও নিতে চায়
আর্জেন্টিনার একাদশ :
এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, নাহুয়েল মলিনা, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো, জুলিয়ানো সিমিওনে, এনজো ফার্নান্দেজ, লিয়ান্দ্রো পারেদেস, আলেক্সিস ম্যাক আলিস্টার, লিওনেল মেসি, হুলিয়ান আলভারেজ।
ইংল্যান্ডের একাদশ :
জর্ডান পিকফোর্ড, রিস জেমস, জন স্টোনস, মার্ক গেহি, জেড স্পেনস, ডেকলান রাইস, এলিয়ট অ্যান্ডারসন, মরগান রজার্স, জুড বেলিংহাম, অ্যান্থনি গর্ডন ও হ্যারি কেইন।
আর্জেন্টিনাকে সমতায় ফেরালেন এনজো ফার্নান্দেজ
আর্জেন্টিনার বিপক্ষে গর্ডনের গোলে এগিয়ে ইংল্যান্ড
মারামারি আর ফাউলে গোলশূন্য বিরতিতে আর্জেন্টিনা–ইংল্যান্ড
আর্জেন্টিনা–ইংল্যান্ড সতর্ক, শুরুতেই উত্তেজনা
আর্জেন্টিনা–ইংল্যান্ড সেমিফাইনাল শুরু
আর্জেন্টিনার দুই সমর্থক গোষ্ঠীর সংঘর্ষ
আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কারের পিটিশনে ৯৮ লাখ স্বাক্ষর
ফাইনালে শিষ্য স্কালোনির আর্জেন্টিনাকে চান স্পেন কোচ
স্পেন-আর্জেন্টিনা ফাইনাল হলে কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ?