ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক সংঘাত স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলো শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরশীল হয়ে বসে থাকতে পারে না। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনই এখন এই অঞ্চলের একমাত্র পথ বলে সতর্ক করেছে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে আয়োজিত 'হিলি ফোরাম'-এ বক্তব্য দেওয়ার সময় কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, উপসাগরীয় দেশগুলোকে এখন উপলব্ধি করতে হবে যে, এ অঞ্চলে আন্তর্জাতিক বাহিনীর উপস্থিতি কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কৌশলগত সামরিক মিত্রতা থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও এটি কখনোই সম্পূর্ণ যথেষ্ট নয়। নিরাপত্তার ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরশীলতা বা নিজস্ব সক্ষমতা অর্জনই ভবিষ্যৎ সুরক্ষার একমাত্র মাধ্যম।
উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি খাত ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ওপর ইরানের সাম্প্রতিক হামলাগুলোর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে কাতারসহ পার্শ্ববর্তী দেশগুলো। কাতার স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছে, এ ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক আইন এবং জাতিসংঘ সনদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের পাশাপাশি কাতারও গত এপ্রিলে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি এবং জুনে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক সম্পাদনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। তবে পরবর্তীতে সেই চুক্তিগুলো ভেঙে পড়ায় পুরো অঞ্চলে নতুন করে চরম সামরিক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।
সূত্র: আল-জাজিরা
মার্কিন হামলায় অংশীদার না হতে দ. কোরিয়াকে ইরানের হুঁশিয়ারি
যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের মূল্য দিতে হচ্ছে পুরো বিশ্বকে: ইরান