ইরানের রাজধানী তেহরানে বড় ধরনের বিমান হামলা চালিয়ে ১৬টি যুদ্ধবিমান ধ্বংস করার দাবি করেছে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)।
রোববার (৮ মার্চ) এক বিবৃতিতে আইডিএফ জানায়, ধ্বংস হওয়া বিমানগুলো ইরানের অভিজাত বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর কুদস ফোর্সের মালিকানাধীন।
বিবৃতিতে বলা হয়, শনিবার (৭ মার্চ) রাতে তেহরানের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ মেহরাবাদ বিমানবন্দরে এই বিশেষ অভিযান চালায় ইসরায়েলি বিমানবাহিনী (আইএএফ)। তবে এই হামলার বিষয়ে ইরান সরকার কিংবা আইআরজিসির পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
মেহরাবাদ বিমানবন্দরটি ইরানের কুদস ফোর্সের প্রধান রসদ ও সরঞ্জাম সরবরাহ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এই বিমানবন্দর ব্যবহার করেই কুদস ফোর্স মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী যেমন হিজবুল্লাহ ও হামাসকে অস্ত্র ও রসদ সরবরাহ করে থাকে। সেই গুরুত্ব বিবেচনা করেই ইসরায়েল এখানে বিমান হামলা চালিয়েছে বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।
ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে ২১ দিনের আলোচনা কোনো চুক্তি ছাড়াই ব্যর্থ হয়। এর পরদিন ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে মার্কিন বাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় রেখে একই সময়ে ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েল।
চলমান যুদ্ধের অষ্টম দিনে এখন পর্যন্ত মার্কিন বাহিনী ইরানের নৌবাহিনীর বেশ কিছু যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস করার দাবি করেছে। অন্যদিকে, ইসরায়েলের মূল লক্ষ্য এখন ইরানের বিমানবাহিনী ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করা। সূত্র: এএফপি
মার্কিন সেনা আটকের দাবি ইরানের
সাইপ্রাসে ক্ষেপণাস্ত্রসজ্জিত রণতরি পাঠালো ইতালি
