ডোপামিন হলো একটি হরমোন এবং ক্যাটেকোলামাইন ও ফেনাথ্যালামিন পরিবারের একটি নিউরোট্রান্সমিটার যা মানব মস্তিষ্ক ও শরীরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রাকৃতিকভাবেই মানব শরীরে উৎপন্ন হয় ডোপামিন। আনন্দের অনুভূতি জাগাতে সক্রিয়ভাবে কাজ করে ডোপামিন হরমোন। মস্তিষ্কে তৈরি হওয়া এই রাসায়নিক অনুভূতি ছাড়াও শারীরিক ক্ষেত্রেও বিভিন্ন ভূমিকা পালন করে।
ডোপামিন হরমোন বৃদ্ধির উপায়
* ডোপামিন বাড়ানোর ক্ষেত্রে খাদ্যাভ্যাস ভূমিকা রাখে। অ্যামিনো অ্যাসিড টাইরোসিন আছে এ রকম খাবার বেশি খেতে হবে। যেমন- কলা, বাদাম, মুরগির মাংস, মাছ, দুগ্ধজাত খাবার, সয়াবিন, পনির, গোটা শষ্য, মটরশুঁটি, গরুর মাংস ইত্যাদি। অর্থাৎ প্রোটিন ধরনের খাবার থাকতে হবে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায়।
* জীবনযাপনের পদ্ধতি পরিবর্তন, যেমন-দৈনিক ব্যায়াম করা, পর্যাপ্ত ঘুমানো, সকাল-বিকেল যখন সূর্যের তাপ কম তখন রোদ পোহানো, মন ভালো রাখে এরকম কাজে নিযুক্ত থাকা, ধ্যান করা ও আনন্দে থাকার চেষ্টা করার মতো বিষয়গুলো ডোপামিনের মাত্রা বাড়াতে পারে।
* ‘স্যাচুরেইটেড ফ্যাট’ যা খারাপ চর্বি হিসেবে পরিচিত। এটা গ্রহণ এড়াতে হবে। ভাজাপোড়া খাবারে এই ধরনের চর্বি বেশি থাকে।
* প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার ডোপামিনের মাত্রা বাড়িয়ে মনমেজাজ ভালো রাখতে পারে। যেমন-দই।
* ভিটামিন ডি-থ্রি, বি-সিক্স, আয়রন ট্যাবলেট বা সাপ্লিমেন্টস গ্রহণের মাধ্যমে ডোপামিন বাড়ানো যায়। এক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
* সামাজিকভাবে মেলামেশা বজায় রাখাও ডোপামিন বাড়াতে সাহায্য করে বলে দেখা গেছে বিভিন্ন গবেষণায়।
